আমার বাবাব ও শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্যারের মতো মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মানবতার সেবায় কাজ করে যেতে চাই — আয়েশা আক্তার

দৈনিক আজকের খবরদৈনিক আজকের খবর
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৫৯ PM, ১৪ জুন ২০২২

নিজেস্বপ্রতিবেদক,টঙ্গীঃ

১৯৯৯সালে ছাত্রলীগের যোগ দানের মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে পা রাখা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ২২ বছরের রাজনৈতিক জীবনে। এই ক্ষুদ্র রাজনৈতিক জীবনে অনৈতিক ভাবে কখনো কারো কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করিনি।

বাবা ও স্বামী দেওয়া প্রায় ৪০ ভরি স্বর্ণঅলংকার ছিলো কিন্তু শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এর আদর্শকে ধারণ করে স্বর্ণ অলংকার গায় না তুলে মানবকল্যাণে দিয়েছি শেষ পর্যন্ত ২ জোড়া চুরি ছিল সেগুলো করোনা মহামারী কালে বিক্রি করে অসহায় কর্মী ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি। সবসময় একটা কথা ভাবি এত টাকা জমিয়ে কি লাভ কাফনের তো পকেট নেই মৃত্যুর পরে এই টাকা তো কবরে নিয়ে যেতে পারবো না। তাহলে অসৎ উপায়ে টাকা পাহার করে কি লাভ…?এমন ভাবে কথা বলছিলেন গাজীপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা আয়েশা আক্তার আশা।

করোনাকালীন সময় মানবতার কল্যাণে কাজ করেছেন অজস্র। অসহায় কর্মী হতদরিদ্র মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছে খাদ্য সামগ্রী । এছাড়াও প্রতিনিয়তই এই মানবদরদী নেত্রী সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন মানব সেবায়ই সবচেয়ে বড় কর্ম। মানব সেবার চাইতে পুণ্যের কাজ আর এই পৃথিবীতে নেই ।

তিনি বলেন, প্রায় সময়ই দেখি আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্য দের বিএনপি এজেন্ট বলে অপ্রচার চালানো হয়। তাদের বলছি আমার বাবা মৃত্য আবুল কাশেম ছিলেন শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্যারের খুব কাছের লোক শুধু তাই নয় তৎকালীন সোনালিকা টোবাকোর শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি। যারা আমারও আমার পরিবারের সম্পর্কে না জেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করছেন দয়া করে এসব বন্ধ করুন কারণ দিনশেষে আমরা আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য নিজের ঘরে নিজে শত্রুতা তৈরি করবেন না।

 96 total views,  1 views today

আপনার মতামত লিখুন :