জননেতা আদম তমিজী হক একজন সফল ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সংগঠক

দৈনিক আজকের খবরদৈনিক আজকের খবর
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৪৩ PM, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাহিদ হাসান জিহাদ: বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে আদম তমিজী হক দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্নকে লালন করেছিলেন। এ তরুণ শিল্পপতি মনে করেন যে ১৮০ মিলিয়ন মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশের সম্পদ রয়েছে; তবে সবার লোভকে সন্তুষ্ট করার পক্ষে তা যথেষ্ট নয়। আদম তমিজী হক কেবল ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিই নন, তিনি সামাজিক ও নাগরিক দায়বদ্ধ ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্নদ্রষ্টাও বটে। ফলস্বরূপ, ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশ রক্ষা এবং রাজধানীকে একটি বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্নকে লালন করেছে। আদম তমিজী হক দরিদ্রদের মধ্যে উদার সমাজসেবী হিসেবে সুপরিচিত। আদম তমিজী হক এমন একটি সমাজ গঠনে লড়াই করে যাচ্ছেন যেখানে অভিশাপ কেউ ভোগ করবে না। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মনোবল হিসেবে কাজ করে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মনস্থির করেন। কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনের জন্য আদম তমিজী হক মানবিক বাংলাদেশ নামে একটি সংস্থা গঠন করেছেন। এ দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি অসহায় শিশুদের পড়াশোনা, চিকিৎসা ও শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখেন নূরউদ্দিন রানা। আদম তমিজী হক একজন প্রতিভাবান এবং সফল ব্যক্তিত্ব যিনি সাফল্য এবং কৃতিত্বের সিঁড়িতে উঠে এসেছেন। ২০১০ সালে তিনি হক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং হক গ্রুপকে বাংলাদেশের অন্যতম এফএমসিজি সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। এ সময়ে হক গ্রুপ ঈর্ষণীয় বৃদ্ধি অর্জন করেছে। তিনি নতুন পণ্য এবং পণ্যের গুণগত মান বজায় রেখে হক গ্রুপকে একটি নতুন মাত্রা দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। তিনি নিজেও সর্বদা সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য তৈরিতে গুনগত মান বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকেন। হক বিস্কুট দীর্ঘদিন ধরে দেশের একটি জনপ্রিয় ব্যান্ড হয়ে আছে। শৈশব থেকেই তিনি ক্রমাগতভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দিকনির্দেশ এবং বক্তৃতায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক আদর্শ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়ার আগে তিনি বঙ্গবন্ধু আদর্শের রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার সংগঠন ‘মনোবিক বাংলাদেশ সোসাইটি’ নগরীর প্রতিটি এলাকায় কাজ করছে। এর শাখা ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যারিস্টার তমিজুল হকের ছেলে আদম তামিজী হক ১৯৭৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্কুলজীবনে ইংল্যান্ডের বোর্ডিং স্কুলে কাটিয়েছি। ১৬ বছর বয়সে তিনি বোর্ডিং স্কুল ছেড়ে লন্ডনের একটি টিউটোরিয়াল কলেজে চলে যান। তানজানিয়ার জাঞ্জিবারে অল্প কিছুদিন থাকার পরে, আদম উত্তর ইংল্যান্ডের হাডারসফিল্ডে চলে যান এবং হাডারসফিল্ডের হিলটন হোটেলে কাজ করার আগে ক্যাটারিংয়ের একটি কোর্স করেন। আদম তমিজী হক যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৮ বছর বয়স থেকে হক গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তবে ২০০২ সালে শুরু করার পরে তিনি শুধুমাত্র ড্রাইসেল এবং সাবানের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন এবং কেবল ২০১১ সালে ম্যানেজিং ডিরেক্টর হওয়ার পরে নিজেকে বিস্কুটের সঙ্গে জড়িত করেছেন। আদম তামিজী এখন বাংলাদেশে বসবাস করছেন, মানবাধিকার এবং সমাজের জন্য কাজ করছেন। তিনি ২০১৭ সালে রাজনীতিতে যোগদান করেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধানে অনেক প্রকল্পে কাজ করছেন। বিদেশি বাণিজ্য ও দেশীয় ব্যবসায়ের প্রসারের মাধ্যমে হক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ৫০ হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শ্রমিকদের নিযুক্ত করেছেন। ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি দেশের রাজস্ব খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। সুদূর ইংল্যান্ডে পড়াশোনা করার সময়ও তার হৃদয় বাংলাদেশেই ছিল। তার হৃদয় সর্বদা দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাঁদে। স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশে এসে সৎ ও সাহসের সঙ্গে দেশ ও দেশবাসীর পক্ষে কাজ করা। তিনি যেকোনো দুরে‌্যাগে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মোকাবিলায় সব ধরনের লোকের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। পারিবারিকভাবে সুযোগপ্রাপ্ত হওয়ায় তিনি তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তিনি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাটের উন্নয়নে মানুষের পাশে ছিলেন।শৈশবকাল থেকেই তিনি ক্রমাগত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দিকনির্দেশ এবং বক্তৃতায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নেতা ও রাজনৈতিক আদর্শ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়ার আগে তিনি বঙ্গবন্ধু আদর্শের রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার সংগঠন ‘মনোবিক বাংলাদেশ সোসাইটি’ নগরীর প্রতিটি এলাকায় কাজ করছে। এর শাখা পুরো ঢাকাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও সমগ্র বাংলাদেশে এর শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সামাজিক দায়িত্ব: আদম তমিজী হক দেশের সব শ্রেণির মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তুলে ধরে ‘মনোবিক ঢাকা সোসাইটি’ সংস্থাটি গঠন করেছেন। মনোবিক ঢাকা মহিলা এবং আইনজীবী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি নির্মাণকর্মী, হকার, বাস-ট্রাক-রিকশা-ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নিয়ে মনোবিক ঢাকা ‘কর্মী সংগঠন’ গঠন করেছেন। এজন্য তিনি স্বাস্থ্যকর শৌচাগার, রাস্তা মেরামত, ছোট সেতু নির্মাণ, এতিমদের বিয়েসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন।
সবার জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করার জন্য আদম তমিজী হক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার জন্য ‘শেখ রাসেল মনোবিক স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি শহরজুড়ে দুস্থদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছেন। আদম তমিজী হক তার সুদূরপ্রসারী চিন্তার মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে অবদান রাখতে বদ্ধপরিকর। তিনি বাংলাদেশের কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প সম্পর্কে অত্যন্ত আশাবাদী। পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য তিনি কক্সবাজার সৈকতে অত্যাধুনিক বিনোদন ব্যবস্থা চালু করেছেন। সরকারের সহায়তায় হক গ্রুপ বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সময়োপযোগী অবদান রাখতে চায়। তিনি বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে অনুসরণ করেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিযুক্ত থাকেন। তিনি তৃণমূলের পক্ষে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার চেতনায় ২০১৬ সালে রাজনীতিতে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। হক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ৭৩ বছরের যাত্রা: হক একটি অন্যতম বৃহৎ এবং পুরাতন বিস্কুট, চিপস, কনফেকশনারি, সাবান এবং ব্যাটারি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৭ সাল থেকে তরুণ ব্যারিস্টার তমিজুল হকের মাধ্যমে বিখ্যাত ব্রিটিশ বিস্কুট জায়ান্ট হান্টলি অ্যান্ড পামার্স এবং ব্যাটারি জায়ান্ট ইউনিয়ন কার্বাইডের পরিবেশক হিসেবে হক ব্যবসায় আসে। হক ক্রিম ক্র্যাকার্স, বারবন, সুগার গ্রেজড বিস্কুট, ওভেন ফ্রেশ কুকিজ, চকলেট ফিলড চিপস এবং আরও অনেক ধরনের পণ্য। এখন ব্যবসার ধারাবাহিকতা আদম তমিজী হকের অনুপ্রেরণা এবং ‘আমরা পারবই’ মনোভাবের মাধ্যমে আশীর্বাদপ্রাপ্ত এবং তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

হক গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান:
এ. টি. হক লিমিটেড
হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
হক অ্যান্ড কোম্পানি লি.
হক অ্যান্ড কোম্পানি (ড্রাই সেল) লি.
হক কার্বাইড লি.
জুনু বিচ রিসোর্ট লি.
হক রিক্রিয়েশনাল প্রোডাক্ট লি.
হক ইম্পরিয়াল প্রপার্টিজ লি.
ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেলার্স

১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এ টি হক লিমিটেড বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং অত্যন্ত প্রশংসিত বিস্কুট, চিপস, কনফেকশনারি, সাবান এবং ব্যাটারি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। দূরদর্শী ব্যারিস্টার তমিজুল হক ১৯৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে তেজগাঁওয়ে এর প্রথম কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্বখ্যাত হাস-হ্যাক্রোনা, নিসিন রাইকি এবং বেকার পারকিনস এ তিনটি আধুনিক মেশিনারিজ যা মিঃ কুকি, ক্রিম ক্র্যাকার্স, বারবন এবং ডাইজেস্টিভ বিস্কুট উৎপাদন করে। ১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে, টঙ্গীতে কার্বাইড কারখানা ‘হক কার্বাইড’ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে ‘হক ব্যাটারি ৭৮৬’ হলো হক কার্বাইড হতে তৈরি বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে একটি। ১৯৮৮ সালের জুলাইয়ে টঙ্গীতে সাবান প্রস্তুত শুরু হয়েছে এবং ডেটল, স্যাভলন, কিউট, মেরিল, নিম, সিনথল ও সন্তুরের মতো নামী ব্র্যান্ডেড সাবানের প্রস্তুতকারক হক। ড্রাই সেল কারখানাটি ১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার টঙ্গীতে চালু রয়েছে। বিশ্বব্যাপী খ্যাতিমান এবং জায়ান্ট বিস্কুট-মেশিন প্রস্তুতকারী সংস্থা হাস’র কাছ থেকে হক ভি-৬০ প্যান্টটি নিয়েছে যা থেকে ২০১৬ সাল থেকে ক্ষীর মালাই ও কুকিজের মতো ওভেন ফ্রেশ কুকিজ তৈরি করছে। বাজারের চাহিদা পূরণে, হক ‘হাস’ থেকে অন্য একটি মেশিন জিএফ-২ কিনে দ্বিগুণ উৎপাদন ক্ষমতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়। এ টি হক লিমিটেড ২০১১ সাল থেকে বিশ্বখ্যাত পেইন্ট সংস্থা বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের সিমেন্ট পেইন্ট ডুরোসেম, রোবিয়ালাক ওয়ালপট্টি, ব্রিথ ইজি ওয়ালপট্টি, মিঃ এক্সপার্ট ল্যাটেক্স প্লাস, ইলিউশনস এবং পাওয়ার বন্ড ডিডিএল তৈরি করছে। প্রয়াত ব্যারিস্টার তামিজুল হক এ টি হক লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। জ্যোৎস্না আদম হক এ টি হক লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং এখন সামগ্রিক ব্যবসায়ের প্রবৃদ্ধি এ টি হক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজী হকের অনুপ্রেরণা ও কৌশলগত দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হক। হক মানসম্মত পণ্য এবং ভোক্তা অধিকার আদায়ের জন্য বাংলাদেশের গ্রাহকদের কাছে বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক। হক তার লোকের অবদানকে মূল্য দেয় এবং সর্বদা তাদের উন্নয়নে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। হক অ্যান্ড কোং লিমিটেড সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক সাবান কারখানাটিতে টয়লেট সাবানগুলো প্রস্তুত করা হয়। ম্যান সোল নামে এখানে প্রথম পুরুষের সাবান প্রস্তুত হয়েছে। এছাড়া হকের সিল্কি নামের রোজ, জেসমিন এবং মিনি সাবান রয়েছে। এখানের সব সাবান গ্রেড-১ বিউটি সাবান। হকের বাজারে এখন অ্যান্টিসেপটিক সাবান রয়েছে। এ সংস্থাটি ডেটল, স্যাভলন, কিউট, সন্তুর ইত্যাদি সাবানের প্রস্তুতকারক হিসেবেও কাজ করেছে। হক অ্যান্ড কোম্পানি (ড্রাই সেল) লিমিটেড: একটি আধুনিক হাই-টেক ব্যাটারি উৎপাদনকারী ইউনিট যেখানে ইউএম-৩ ব্যাটারি (পেনসিল সেল), ইউএম-৪ (রিমোট ব্যাটারি) এবং মেটাল জ্যাকেট ইউএম -১ হেভি-ডিউটি ব্যাটারি তৈরি করা হয়। হক কার্বাইড লিমিটেড: এটি ইউএম -১ এবং ইউএম-২ এর জিংক কার্বন ড্রাই সেল ব্যাটারি উৎপাদন করার জন্য একটি আধুনিক এবং উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কারখানা। হকের বিখ্যাত হক ৭৮৬ হক (কার্বাইড) লিমিটেডের একটি পণ্য। জুনু বিচ রিসোর্ট লিমিটেড: কক্সবাজারের জুনু বিচ রিসোর্ট হল বিনোদনমূলক সুবিধাসহ বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় বিচ রিসোর্ট। সেটি প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সবচেয়ে বিলাসবহুল ইয়ট চালু করেছিল। এটি সব ধরনের বিনোদন সুবিধাসহ বিশ্বমানের ওয়াটারপার্ক প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। হক রিক্রিয়েশনাল প্রোডাক্ট লিমিটেড: হক কক্সবাজারের জুনু বিচের জন্য কয়েকটি বিশ্বমানের সমুদ্রসৈকত বিনোদনমূলক পণ্য আমদানি করেছে। হক রিক্রিয়েশনাল প্রোডাক্ট লিমিটেড হল দেশের প্রথম সমুদ্রসৈকতে বিনোদনমূলক পণ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা টয়স, যানবাহন এবং সরঞ্জাম আমদানি, বিক্রয়, ভাড়া এবং সেবা সরবরাহ করে। এর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধার দল রয়েছে। এটি সমুদ্রে চূড়ান্ত আনন্দ নিশ্চিত করে। এর বেশ কয়েকটি পরিষেবা রয়েছে- বিলাসবহুল ইয়ট, জেটস্কি, ক্যাটামারান, ওয়েকবোর্ডিং ইত্যাদি। হক ইম্পরিয়াল প্রপার্টি লিমিটেড: এটি হক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রপার্টি বিজনেস সংস্থা। ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেলার্স: ওয়ার্ল্ড ট্র্যাভেলার্স হকের একটি ভ্রমণকারী সংস্থা। এটি বিশেষ ভ্রমণের প্যাকেজ, বিমানের টিকিট বুকিংয়ের সুবিধা, বিভিন্ন পর্যটন প্যাকেজ, ছুটির প্যাকেজ ইত্যাদির মতো সুবিধা সরবরাহ করে।

 132 total views,  3 views today

Featured posts

আপনার মতামত লিখুন :